৮০০ কোটি টাকার জমি জালিয়াতি করে দলিল করে দিয়েছিল এই আব্বাস : জয়

বিএনপি সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন সময় দেশে সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তুলে ছিলো। শুধু তাই ওই সময়ে সরকারের মদদে আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের ওপর না ভাবে অ/ত্যাচার, নি/র্যাতন করা হতো। বিএনপি এখন গনতন্ত্রের কথা বলে তখন তাদের এমন অপকর্মের কথা এখন মনে নেই। তারেক রহমানের আদেশে মির্জা আব্বাস স/ন্ত্রাসীদের সাথে সম্পর্ক র/ক্ষা করতেন মন্তব্য করে যা জানালেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজিব ওয়াজেদ জয়।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারিক রহমানের হয়ে মির্জা আব্বাস শীর্ষ স/ন্ত্রাসীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা ও ছেলে সজিব ওয়াজেদ জয়।

শুক্রবার (৪ নভেম্বর) গভীর রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মির্জা আব্বাসের ‘দু/র্নীতি’ তুলে ধরে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা লিখেছেন, “বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের শেষের দিকে তৎকালীন গণপূর্তমন্ত্রী মির্জা আব্বাস টেন্ডার ছাড়াই একটি কাগুজে প্রতিষ্ঠানকে রেলওয়ের ২ একর জমি অবৈধভাবে লিজ দেন। তখন এসব সম্পদের মূল্য ছিল অন্তত ৫১ কোটি টাকা। তারিক রহমানের ঘনিষ্ঠ এই বিএনপি নেতা হাওয়া ভবনের নির্দেশে মাত্র ১৪ দিনে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। কিন্তু রেলওয়ের জমি গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে নয়, এটা করার কোনো আইনি অধিকার নেই।”

সজিব ওয়াজেদ জয় বলেন, “এমনকি যে সোসাইটির নামে ৯৯ বছরের জন্য জমি লিজ দেওয়া হয়েছিল তার নামও সমবায় অফিসের তালিকায় পাওয়া যায়নি। ২০০৭ সালের ২৮শে জুলাই দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকায় এ তথ্য প্রকাশিত হয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসার পর রেলওয়ে তাদের জমির ন্যায্য দখল ফিরে পাওয়ার দাবি করলে বিষয়টি দু/র্নীতি দমন কমিশনের নজরে আসে।”

জয় বলেন, ২০০৬ সালের অক্টোবরে বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতা ছাড়ার আগে এটিই ছিল মির্জা আব্বাসের শেষ দু/র্নীতি। মাত্র ১৪ দিনে পূর্বাচল সমবায় সমিতি নামে একটি কাগজের প্রতিষ্ঠান থেকে ১ কোটি ৪৬ লাখ টাকা নগদ জমা নিয়ে জমির দখল নিশ্চিত করা হয়। রেলওয়ের মালিকানাধীন জমির একটি অংশে একটি কোম্পানি রেলওয়ের অনুমতি নিয়ে ইজারা নিয়ে ব্যবসা করছিল, সেখান থেকেও পেশিশক্তি প্রয়োগ করে তাদের সরিয়ে দেওয়া হয়। রেলওয়ে এই ঘটনায় প্রতিবাদ করলেও মির্জা আব্বাসের ক্যাডার বাহিনীর কাছে তারা হেরে যায়।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা আরও বলেন, বিএনপি আমলে স/ন্ত্রাসীদের ক্ষমতায় কোথাও নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা করা হয়নি। বিএনপি-জামায়াতের এমপি-মন্ত্রীরা এমনকি সরকারি কর্মচারীদেরও হু/মকি-ধমকি দিয়েছে। এই আব্বাস তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শ্যালক ও অন্যান্য আত্মীয়-স্বজনের নামে এবং মোসাদ্দেক আলী ফলুর নামেও রা/ষ্ট্রের ৮০০ কোটি টাকার জ/মি জালিয়াতি করে দ/লিল করে দি/য়েছিল এই আব্বাস।। এমনকি ঢাকার চার সংসদ সদস্য যারা তারেক রহমানের পক্ষে শীর্ষ স/ন্ত্রাসীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতেন, আব্বাস তা/দের অন্যতম।

প্রসঙ্গত, বিএনপি ক্ষমতায় থেকে নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছে তখন তাদের কাছে সবাই অসহায় হয়ে পড়ে ছিলো মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজিব ওয়াজেদ জয়। তিনি বলেন, তারা এখন গনতন্ত্রের ছবক দিচ্ছে আওয়ামীলীকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *