আওয়ামী লীগ গত কয়েক দিন ধরে সারা দেশে ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন করছে। এই সম্মেলেন মাধ্যমে আওয়ামী লীগ তাদের দলকে সাজাচ্ছেন। দলের সমস্যা গুলো চিহ্নিত করে তা সমাধানের চেষ্টা করছেন। একই সাথে দলের নেতাদের মাঠ পর্যয়ে কাজ করার আহবান জানানো হয় এই ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে। এছাড়া এই সম্মেলনের মাধ্যমে সরকারের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরছেন দলের নেতারা।
আওয়ামী লীগের যা কিছু অর্জন, সব সংগ্রামের মধ্য দিয়েই হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ দুপুর সোয়া ১টায় ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা ১৫ ফ্রেব্রুয়ারির মতো নির্বাচন করে , তাদের মুখে গণতন্ত্র ও নির্বাচনের কথা মানায় না।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে সম্মেলন শুরু হয়। পরে বেলা ১১টার দিকে শান্তির প্রতীক পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় ঢাকা ও ঢাকার আশপাশে থেকে আসা নেতাকর্মীদের পদচারণায় ও স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হ‌য়ে ওঠে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান।

ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ বিভক্ত হওয়ার পরে এটাই প্রথম সম্মেলন। তাই মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে আওয়ামী লীগের দলের প্রতীক নৌকার আদলে।

এদিকে সম্মেলন উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও তার আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশন হবে বেলা ৩টায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে। সেখানেই নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করা হবে। চলমান শুদ্ধি অভিযান মাথায় রেখে এ সম্মেলনের মাধ্যমে ঢাকা মহানগরের কমিটি থেকে বিতর্কিতদের বাদ দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে আওয়ামী লীগ।

একই সাথে দলের সকল নেতাদের অবৈধ কাজ থেকে সাবধান করছেন। দলের নেতারা বলেন কোন লোক অবৈধ কাজের সাথে জড়িত থাকলে তাদেরকে দল থেকে বের করে দেয়া হবে। এছাড়া যারা বসন্তের কোকিল তাদের দলে রাখা হবে না।