রাষ্ট্রায়ত্ত নন-লাইফ প্রতিষ্ঠান সাধারণ বীমা কর্পোরেশন সরকারি কোষাগারে জমা দিলেন ৫০ কোটি টাকা। কিন্তু এ অর্ধশত কোটি টাকা লভ্যাংশ পেয়েও খুশি নন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি একটু বেশিই লভ্যাংশ আসা করেছিলেন এ বীমা প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে।
আজ বুধবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অর্থমন্ত্রীর অফিসে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন পক্ষ থেকে এ লভ্যাংশের চেক হস্তান্তর করা হয়। গত অর্থ বছরের হিসাব থেকে লভ্যাংশ হিসেবে এই অর্ধশত কোটি টাকা চেক দিল প্রতিষ্ঠানটি।

তিনি সাধারণ বীমা কর্পোরেশনকে কমপক্ষে ১০০ কোটি টাকা লভ্যাংশ দিতে বলেছেন। সরকারের বড় বড় প্রকল্প এই বীমার আওতায় আসায় সাধারণ বীমা কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ বলেছেন, তারা আগামী বছর ১০০ কোটি টাকা লভ্যাংশ দিতে পারবেন।

২০১৭ সালের হিসাব থেকে লভ্যাংশ হিসেবে ৪০ কোটি টাকা দিয়েছিল সাধারণ বীমা কর্পোরেশন।

লভ্যাংশ প্রদানের সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম, পরিচালনা পর্ষদের সসদ্য, কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরিয়ার আহসানসহ আরও অনেকে।

সাধারণ বীমা কর্পোরেশন কিছু দিন আগে সরকারি প্রকল্প বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট, মেগা প্রকল্প পদ্মা সেতু, মাতারবাড়ি পাওয়ার প্লান্ট, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং আরও বেশ কিছু ছোট বড় প্রকল্পের বীমা কভারেজ প্রদান করছে।


এই বীমা প্রতিষ্ঠানটি ২০১৮ সালে মোট ৩৭৬ কোটি ৩৬ লাখ টাকা গ্রাহকদের গ্রস বীমা দাবি পরিশোধ করেছে কর্পোরেশন বীমা ও পুনঃবীমা খাতে।