দেশে দেশে যখন করোনা ভাইরাস নিয়ে মানুষ ব্যাপক ভীতিকর পরিস্থিতিতে রয়েছে ঠিক সেই সময় ভারতের সাথে নেপালের ঝামেলা দেখা দিয়েছে। ভারত-নেপাল সীমান্তে বর্তমানে এক রকম উ’ত্তেজনা ভাব বিরাজ করছে। দুই দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী সীমান্তে অবস্থান করছে। নেপাল বলছে তাদের স্থান দখল করতে চায় ভারত আর ভারত থেকে বলা হচ্ছে ওই স্থান আগে থেকে ভারতের অংশ। এই বিষয় নিয়ে বর্তমানে নানা রকম সমস্যা দেখা দিচ্ছে। আর এবার এই সকল বিষয়ে নিয়ে কথা বলেছেন বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট ব্যক্তি।

এটা হচ্ছে নেপালকে অব্যাহত ঠকানোর ফল। কয়েক দশক নতজানু সরকার ছিলো নেপালে, যা ইচ্ছে করেছে ভারত। কিন্তু একটা সময় যে ভিন্ন কিছু হতে পারে সেটা তারা মাথায় রাখেনি। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও একই ভুল করে চলেছে তারা। শ্রীলংকা, মালদ্বীপ, ভূটানেও এটা করেছিল বা করে চলেছে। ভুলটা হচ্ছে তারা এসব দেশে নিজেদের একতরফা স্বার্থ উদ্ধারের জন্য একটা তাবেদার সরকার ক্ষমতায় বসায় বা রাখে।

সেরকম সরকারের সাথে তথাকথিত বন্ধুত্ব গড়ে তোলে। সেসব দেশের জনগণের মনোভাবকে পাত্তা দেয় না বা সেটা আসলে কি বোঝার চেষ্টা করে না। এ অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে গত পনের বছরে আমি ঝঅঐজ-এর নির্বাচিত নির্বাহী সদস্য হিসেবে অন্তত ২০ বার ভ্রমণ করেছি। দেখেছি প্রতিটি দেশের মানুষ কতোটা অপছন্দ করে ভারত সরকারকে। আমি বিশ্বাস করি সত্যিকার ভোট নেওয়া হলে এসব দেশের অন্তত ৯০ শতাংশ লোক বলবে ভারত খুব খারাপ প্রতিবেশী।

কোনোদিন আমার মনে হয় না সত্যিকারের পরাশক্তি হতে পারবে এরা। পরাশক্তিরা প্রতিবেশীদের একটু আধটু ঠকায়, কিন্তু লুটে নেয় না। এজন্য চীনের পাশে মিয়ানমার আর উত্তর কোরিয়া দুটো বন্ধুভাবাপন্ন প্রতিবেশী আছে। আমেরিকার আছে কানাডা আর কিছু ছোট ল্যাটিন দেশ। ভারতের পাশে একটাও নেই। যাই হোক যেকোনো হ’’ত্যাকা- নিন্দনীয়। ভারতের নাগরিককে হ’’ত্যা করারও নিন্দা করছি। ফেসবুক থেকে


এদিকে, ভারতের সাথে চীনেরও নানা সরকম সমস্যা দেখা দিয়েছে। ভারত-চীন সীমান্তেও এক রকম উ’ত্তেজনা ভাব বিরাজ করছে। চীনের কয়েক হাজার সেনা বাহিনী সীমান্তে জড়ো করেছে। এখানেও ভারত বলছে তাদের সীমান্তের মধ্যে চীন ঢুকে পড়েছে। তবে চীন বলছে তারা তাদের সীমান্তের মধ্যেই রয়েছে। আর বর্তমানে তার এই সকল বিষয় নিয়ে ব্যাকপ আলোচনা চলছে।