করোনা ভাইরাসের কারণে বর্তমানে বিশ্বের প্রতিটি দেশই এক রকম কাঁপছে। এদিকে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনা রোগীদের নিরলশ চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছে অসংখ্য স্বাস্থ্যকর্মী। অনেক চিকিৎসক নিজেদের জীবনে কথা না ভেবে সাধারণ মানুষদের সেবা দিতে ছুটে চলছেন। আর তেমনই একজন বাংলাদেশি চিকিৎসক যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে অনেক সুনামের সাথে করোনা রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিয়েছেন। তিনি দেশের বাইরে থাকলেও সব সময় দেশের কথা ভেবেছেন। আর এরপরই তিনি দেশের সাধারণ মানুষদের চিকিৎসা সেবা দিতে দেশে ছুটে আসেন। তবে দেশের আসার পর থেকে এই চিকিৎসককে নিয়ে নানা রকম আলোচনা দেখা দেয়। এবার এই চিকিৎসককে নিয়ে কিছু চমকপ্রদ তথ্য দিয়েছেন আমেনা কোহিনূর।


কবি অসীম সাহা, ড. ফেরদৌস খন্দকার (নিউইয়র্ক), আল আমিন বাবু ভাই (নিউইয়র্ক), ইমরান আলী, শেখ শহীদ ভাই-সহ আমরা কিছুদিন আগে দুর্নীতিবিরোধী কাজ করেছিলাম। তখন থেকে ওনাকে চিনি একজন জনহিতকর ও সমাজহিতৈষী হিসেবে। তারপর করোনাকালীন সময়ে উনি নিউইয়র্কে অনেক কাজ করেছেন।

প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাশে দাঁড়িয়েছেন, ফেসবুকের সুবাদে এটা জেনেছি। কিন্তু হঠাৎ করে কবি জাফর ওয়াজেদ ভাইয়ের পোস্টে উনি বঙ্গবন্ধুর খু’’নি ঘৃ’’ণিত খন্দকার মোশতাক বা কর্নেল রশিদের আত্মীয় এবং ছাত্রদল করতেন, এটা শোনার পর সত্যি ভড়কে গিয়েছিলাম।

কারণ জাফর ওয়াজেদ ভাই ফালতু কথা বলেন না। আবার অনেক শিবির, ছাত্রদল করা অনেক লোকজন এখন আমাদের ভেতরে, তারা আমাদের ভেতরে থেকেই বিভিন্ন রকমের সুবিধা নিচ্ছে, আবার ষড়যন্ত্রেও লিপ্ত। বিভিন্ন ব্যক্তি ও গোষ্ঠীস্বার্থে কে যে কখন কাকে জামায়াত-শিবির, বিএনপি ট্যাগ দিয়ে দেয়, বুঝা মুশকিল।

আসলে ফেরদৌস খন্দকার দুঃসময়ে চমেক ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন এবং মোশতাক নামে তার একজন মামা আছেন, যিনি বোস্টনে থাকেন। বাড়ি কুমিল্লা। সব কিছু মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের খেয়োখেয়ি যার সিন্ডিকেট বাংলাদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত, তাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা। বাঙালির পরশ্রীকাতরতা।

এই শব্দের কোনো ইংরেজি কিন্তু ডিকশিনারিতে নেই। তার মানে পরশ্রীকাতরতা বিষয়টি শুধু বাঙালির মধ্যেই আছে। আমরা আশা করি খুব শিগগিরই ফেরদৌস খন্দকার আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন এবং তার মানবিক, জনহিতৈষী কাজগুলো শুরু করবেন।


উল্লেখ্য, এই চিকিৎসক যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে থাকা কালিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত রোগীদের নানা রকম পরামর্শ দিয়ে এসেছেন। আর এই সকল কারণে তিনি বেশ পরিচিতি পান। এছাড়া তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে করোনা রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিয়েও ব্যাপক প্রশংসিত হন। তবে এই চিকিৎসক দেশে আসার পর থেকে তাকে নিয়ে নানা রকম সংবাদ প্রকাশ পায়। দেশে সাধারণ মানুষদের চিকিৎসা সেবা দিতেই ছুটে এসেছেন বলেন তিনি। আর এ জন্য দেশের সাধারণ মানুষদের চিকিৎসা দেওয়ার সুযোগ চান তিনি।