বর্তমানে সারা বিশ্ব করোনায় কাঁপছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে হাজার হাজার মানুষের প্রাণ যাচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত এই করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন বাজারে আসেনি। এদিকে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কয়েক শত গবেষক এই করোনা ভাইরাসের কার্যকারি ভ্যাকসিন আবিস্কারের নিরলশ চেষ্টা করে যাচ্ছে। আর এরই ধারবাহিকতায় অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদলও করোনা ভাইরাসের কার্যকারি ভ্যাকসিন আবিস্কারের চেষ্টা করে যাচ্ছে।


অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের তৈরি করোনাভাইরাস ভ্যাকসিনের উৎপাদন কাজ এরই মধ্যে শুরু করে দিয়েছে ব্রিটিশ ফার্মাসিউটিক্যাল জায়ান্ট কম্পানি ’অ্যাস্ট্রা জেনিকা’। ভ্যাকসিনটির চূড়ান্ত উৎপাদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ব্রিটিশ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ম্যাট হ্যানকক।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী ম্যাট হ্যানকক এ কথা জানান। কার্যকর প্রমাণিত হলে এই ভ্যাকসিন গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রথম কে হতে পারে? এমন প্রশ্নের জবাবে হ্যানকক বলেন, টিকা ও টিকাদান সম্পর্কিত যৌথ কমিটি অন্তর্বর্তীকালীন পরামর্শ প্রকাশ করেছে। তারা দুটি গ্রুপের জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। সামনের সারির স্বাস্থ্য ও সমাজসেবা কর্মী এবং করোনায় যাদের অবস্থা সংকটাপন্ন তারাই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এটা পেতে পারেন।

ম্যাট হ্যানকক আরো বলেন, স্বাস্থ্যকর্মী ও ঝুঁকিতে থাকা রোগীদের পর প্রাধান্য অনুসারে অন্যদের ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। তারা কারা, এ ভাইরাসের ব্যাপারে আরও বিস্তৃত পরিসরে জানার মধ্য দিয়ে ক্রমে ক্রমে তা নির্ধারণ করা হবে। ভ্যাকসিন সহজলভ্য হলে যারা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে তাদেরই আগে দেওয়া হবে। আমরা খুব দ্রুত আমাদের দেশকে আগের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে চাই।


এদিকে, গোটা বিশ্ববাসী বর্তমানে করোনা ভাইরাসের কার্যকর ভ্যাকসিন এর জন্য অধীর আগ্রহে রয়েছে। আর এই করোনা ভাইরাসের কার্যকারি ভ্যাকসিন তৈরির জন্য এই বিশ্ব সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদল আপরান চেষ্টা করছে। এদিকে, বিশ্ব স্থাস্থ্য সংস্থা প্রথম থেকে বলে আসছে করোনা ভাইরাসের কার্যকারি ভ্যাকসিন আবিস্কার করা হলে তা অবশ্যই বিশ্বের সকল দেশের মানুষের কাছে পৌছে দিতে হবে। কারণ এই করোনা ভাইরাস বর্তমানে একটি দেশের জন্য সমস্যা নয় বরং গোটা বিশ্ববাসীর জন্য সমস্যা।