দেশের করোনার ভুয়া রিপোর্ট নিয়ে এখনো সারা বিশ্বে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। বিশেষ করে ইতালিতে করোনার ভুয়া রিপোর্ট নিয়ে একের পর এক সংবাদ প্রকাশ হচ্ছে। আর এই করোনার ভুয়া রিপোর্ট এর সাথে সাহেদের নাম উল্লেখ্য করেছে ইতালি। এমনকি তার কারণে দেশটিতে যাওয়ার অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে কয়েক হাজার বাংলাদেশি। আর এই সকল কারণে বর্তমানে নানা রকম আলোচনা চলছে ইতালিতে।

বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। ইতালিতেও বাংলাদেশ থেকে আগত করোনা রোগীদের মাধ্যমে ’ইম্পোর্ট কেইস’ বা ’বাইরে থেকে আসা’ করোনার সংক্রমণ বেড়ে চলেছে। এরই মধ্যে বাংলাদেশে দুটি হাসপাতালের পরিচালককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে যিনি হাজার হাজার ভুয়া করোনার সার্টিফিকেট বিক্রি করছিলেন।
১৯ জুলাই রোম থেকে প্রকাশিত ইতালির জাতীয় দৈনিক পত্রিকা লা রিপাবলিকার এক প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়।
প্রতিবেদনে মোহাম্মদ শাহেদকে বাংলাদেশে ক্ষমতাসীন দলের সদস্য এবং টিভিতে করোনা বিষয়ক একজন তারকা বক্তা উল্লেখ করে বলা হয়, তার হাসপাতাল চালানোর কোন বৈধ লাইসেন্সও ছিল না। নয় দিন পালিয়ে থাকার পর তাকে ভারতের সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। আরো দুজন চিকিৎসককেও ভুয়া সার্টিফিকেট বিক্রির অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বাংলাদেশে দুই লাখেরও বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, মা’রা গেছেন আড়াই হাজারেরও বেশি। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রকৃত সংখ্যা আরো অনেক বেশি কারণ বাংলাদেশে ১৬ কোটি মানুষের জন্য মাত্র ৭০ টি স্থানে পরীক্ষা চালানোর ব্যবস্থা রয়েছে। ইতালি-বাংলাদেশ সমিতির সভাপতি তাইফুর রহমান শাহ কিছুদিন আগে বলেছিলেন, ’বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণের অবস্থা ভ’য়াবহ। সেখানে কোন চিকিৎসা নেই।
মানুষ যেভাবেই হোক, সেখান থেকে পালাতে চাচ্ছে।’
ইতালি ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ থেকে সব ফ্লাইট নিষিদ্ধ করেছে। বাংলাদেশের জন্য একটি বড় সমস্যা দাঁড়িয়েছে, কারণ দেশটি প্রায় এক কোটি প্রবাসী শ্রমিকের মাধ্যমে বছরে ১৯ বিলিয়ন ডলার আয় করে থাকে। ইতালিতে কাজ করা প্রায় ১৫,০০০ বাংলাদেশি শ্রমিক ঢাকায় আটকে আছেন। এটা পরিষ্কার নয় কবে তারা ইউরোপ ভ্রমণ করতে পারবেন বা আদৌ পারবেন কিনা। সূত্র:মানবজমিন


এদিকে, এই প্রতারক সাহেদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠে এসেছে। তবে ইতালিতে যাওয়া বেশ কয়েক জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। আর এরপর দেশটিতে যাওয়া বেশ কয়েক জন বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। তবে এখনো ইতালি বাংলাদেশের করোনার ভুয়া রিপোর্ট সম্পর্কে নানা রকম সংবাদ প্রকাশ করছে।






শাহেদ ক্ষমতাসীন দলের সদস্য,ইতালি যাওয়া অনিশ্চিত ১৫ হাজার বাংলাদেশির :ইতালির জাতীয় পত্রিকার প্রতিবেদন
Logo
Print

বিশেষ প্রতিবেদন

 

দেশের করোনার ভুয়া রিপোর্ট নিয়ে এখনো সারা বিশ্বে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। বিশেষ করে ইতালিতে করোনার ভুয়া রিপোর্ট নিয়ে একের পর এক সংবাদ প্রকাশ হচ্ছে। আর এই করোনার ভুয়া রিপোর্ট এর সাথে সাহেদের নাম উল্লেখ্য করেছে ইতালি। এমনকি তার কারণে দেশটিতে যাওয়ার অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে কয়েক হাজার বাংলাদেশি। আর এই সকল কারণে বর্তমানে নানা রকম আলোচনা চলছে ইতালিতে।

বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। ইতালিতেও বাংলাদেশ থেকে আগত করোনা রোগীদের মাধ্যমে ’ইম্পোর্ট কেইস’ বা ’বাইরে থেকে আসা’ করোনার সংক্রমণ বেড়ে চলেছে। এরই মধ্যে বাংলাদেশে দুটি হাসপাতালের পরিচালককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে যিনি হাজার হাজার ভুয়া করোনার সার্টিফিকেট বিক্রি করছিলেন।
১৯ জুলাই রোম থেকে প্রকাশিত ইতালির জাতীয় দৈনিক পত্রিকা লা রিপাবলিকার এক প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়।
প্রতিবেদনে মোহাম্মদ শাহেদকে বাংলাদেশে ক্ষমতাসীন দলের সদস্য এবং টিভিতে করোনা বিষয়ক একজন তারকা বক্তা উল্লেখ করে বলা হয়, তার হাসপাতাল চালানোর কোন বৈধ লাইসেন্সও ছিল না। নয় দিন পালিয়ে থাকার পর তাকে ভারতের সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। আরো দুজন চিকিৎসককেও ভুয়া সার্টিফিকেট বিক্রির অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বাংলাদেশে দুই লাখেরও বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, মা’রা গেছেন আড়াই হাজারেরও বেশি। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রকৃত সংখ্যা আরো অনেক বেশি কারণ বাংলাদেশে ১৬ কোটি মানুষের জন্য মাত্র ৭০ টি স্থানে পরীক্ষা চালানোর ব্যবস্থা রয়েছে। ইতালি-বাংলাদেশ সমিতির সভাপতি তাইফুর রহমান শাহ কিছুদিন আগে বলেছিলেন, ’বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণের অবস্থা ভ’য়াবহ। সেখানে কোন চিকিৎসা নেই।
মানুষ যেভাবেই হোক, সেখান থেকে পালাতে চাচ্ছে।’
ইতালি ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ থেকে সব ফ্লাইট নিষিদ্ধ করেছে। বাংলাদেশের জন্য একটি বড় সমস্যা দাঁড়িয়েছে, কারণ দেশটি প্রায় এক কোটি প্রবাসী শ্রমিকের মাধ্যমে বছরে ১৯ বিলিয়ন ডলার আয় করে থাকে। ইতালিতে কাজ করা প্রায় ১৫,০০০ বাংলাদেশি শ্রমিক ঢাকায় আটকে আছেন। এটা পরিষ্কার নয় কবে তারা ইউরোপ ভ্রমণ করতে পারবেন বা আদৌ পারবেন কিনা। সূত্র:মানবজমিন


এদিকে, এই প্রতারক সাহেদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠে এসেছে। তবে ইতালিতে যাওয়া বেশ কয়েক জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। আর এরপর দেশটিতে যাওয়া বেশ কয়েক জন বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। তবে এখনো ইতালি বাংলাদেশের করোনার ভুয়া রিপোর্ট সম্পর্কে নানা রকম সংবাদ প্রকাশ করছে।






Template Design © Joomla Templates | GavickPro. All rights reserved.