পিয়ালি দাস নামের এক নারী ব্যাংক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে উঠেছে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ। তাও অভিনব কায়দায়। নিজের নামে আত্মসাতের টাকা না নিয়ে নিজের প্রেমিকের এ্যাকাউন্টে পাচার করেছেন তিনি। ঘটনাটি ঘটে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বহরমপুরে দেশটির সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের একটি শাখায়।প্রেমিকের অ্যাকাউন্টে ৪৬ লাখ টাকা অবৈধভাবে ট্রান্সফার করে লাপাত্তা হয়েছেন ব্যাংকের এই নারী কর্মকর্তা। এ ঘটনার পর থেকেই খুজে পাওয়া যাচ্ছে না অভিযুক্ত ওই কর্মকর্তাকে। তবে তার বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।
দেশটির একটি দৈনিক বলছে, ভারতের কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংকের অস্থায়ী নারী কর্মকর্তা পিয়ালী দাসের বিরুদ্ধে তার প্রেমিকের অ্যাকাউন্টে ৪৬ লাখ টাকা অবৈধভাবে ট্রান্সফারের অভিযোগ উঠেছে।

পশ্চিমবঙ্গের বহরমপুরে সমবায় ব্যাংকের একটি শাখায় অস্থায়ী হিসেবে কর্মরত ছিলেন ওই নারী। একসময়ে পশ্চিমবঙ্গ সিপিএমের যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআইয়ের নেত্রী ছিলেন তিনি।

ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বলছে, কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংকের ঘাগড়া শাখায় একটি ফিক্সড ডিপোজিট করেছেন পিয়ালীর প্রেমিক। সেই ফিক্সড ডিপোজিটের মেয়াদ এখনও পূর্ণ হয়নি। অথচ গত কয়েক মাস ধরে দফায় দফায় প্রেমিকের অ্যাকাউন্টে প্রায় ৪৬ লাখ টাকা ট্রান্সফার করেছেন পিয়ালী।

ব্যাংকের ম্যানেজার সৌমেন সরকার বলেছেন, প্রতারণার ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর থেকে ব্যাংকে আসছেন না পিয়ালী। তার সঙ্গে যোগাযোগও করা যাচ্ছে না।


বহরমপুর থানায় ওই অস্থায়ী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।পিয়ালী দাস ও তার প্রেমিককে হন্নে হয়ে খুঁজছে পুলিশ।


উল্লেখ্য, ২০১১ সালে কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংকের খাগড়া শাখায় অস্থায়ী কর্মকর্তা হিসেবে চাকরি পান পিয়ালী দাস। তার বাড়ি বহরমপুর শহরের কাশিমবাজারে। দীর্ঘ প্রায় ৮ বছরেরও বেশি সময় চাকরি করার পরে তিনি এই ঘটনাটি ঘটান। এ ছাড়াও আরো খোজ নিয়ে জানা যায় অভিযুক্ত ওই নারী সিপিএমের যুব সংগঠনের নেত্রী ছিলেন।