ত্রিভুবন কন্ট্রোলরুমের – নেপালের কাঠমন্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্তের মর্মান্তিক ঘটনার বেশ কিছু কারণ নির্ধারণ করা গেছে। তবে ঠিক কোন কারণে এমন দুর্ঘটনা তা নিশ্চিত করা না গেলেও আইরিস পাইলট মাকসুদা আক্তার প্রিয়তী বিভিন্ন দিক বিবেচনায় মনে করছেন ভুলটি পাইলটের নয় বরং ত্রিভুবন কন্ট্রোলরুমের।
বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত প্রিয়তী বেড়ে উঠেছেন ঢাকার ফার্মগেটে তবে ১৭ বছর আগে আইয়ারল্যন্ডে যান পড়াশুনার জন্য। সেখানে তিনি পেশায় একজন পাইলট। তিনি এই দূর্ঘটনার বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে ধারণা করেন এটি কোন যান্ত্রিক ত্রুটি নয় এটি মানুষের ভুল। তবে তার বিবেচনায় এটি পাইলটের ভুল নয় বরং ত্রিভুবন কন্ট্রোলরুমের ভুল।
তিনি বলেন, "এটিসি আর পাইলটের কন্ট্রোলরুমের যে অডিও ক্লিপটি পাওয়া গেছে সেটা থেকে আমার মনে হয়েছে হিঊম্যান ইরোরের কারণে ঘটনাটি ঘটেছে। পাইলট ইন কমান্ডে যিনি ছিলেন তিনি ক্যপ্টেন আবেদ, উনি এর আগে এয়ারফোর্সে ছিলেন। এবং তিনি এয়ারক্রাফট এর দুই-তিন হাজারেরও বেশি ঘন্টা ফ্লাই করেছেন। এ কারণে তার এয়ারক্রাফট সম্পর্কে ভালো করেই জানার কথা। নেপালের ভৌগলিক অবস্থানের কারনে ত্রিভুবনের ইন্সট্রুমেন্ট ল্যন্ডিং সিস্টেম অ্যাভেইলেবেল না। পাইলট প্রথমে রানওয়ে ২০০ তে ল্যান্ড করতে চাইলে কন্ট্রোলরুম টাওয়ার তাঁকে সেই অনুমতি প্রদান করেন। এরপরই পাইলট রানওয়ে ২০০ এর পরিবর্তে রানওয়ে ০২০ তে ল্যান্ড করার অনুমতি চাইলে টাওয়ার তাতেও অনুমতি প্রদান করেন। দুই পক্ষের তিনবার কনফার্ম করার পরও ফাইনাল স্টেজে এসেও কেন পাইলটকে আবার টাওয়ারে জিজ্ঞাসা করতে হল, ’আর উই ক্লিয়ার টু ল্যান্ড’। তাহলে কি রানওয়ে খালি ছিলনা? আবার একই সময় টাওয়ার কেনই বা তাদের ফিরে যেতে বলেছে?"

News Page Below Ad