নেপালে ইউএস-বাংলা বিমান দূর্ঘটনার পর ফেসবুক সহ বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালের খবরে প্রকাশিত হয় নেপাল বাংলাদেশ বিমানের দূর্ঘটনা । অনেকেই সেই মূহু্র্তে বাংলাদেশ বিমান বলতে বাংলাদেশের জাতীয় বিমান সংস্হা \\\’বিমান বাংলাদেশ \\\’ এর সাথে গুলিয়ে ফেলে। আর সেই জন্য বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স আর ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের তফাৎ বুঝিয়ে ফেসবুকে পোষ্ট দিয়েছিল বিমান বাংলাদেশের কর্মকর্তা সাবিনা শারমিন। তার সেই পোষ্টটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো
\\\’শুনুন ভাই বন্ধুরা, সকল উড়োজাহাজ (এয়ারক্রাফটকে) বাংলাদেশ বিমানের নয়! বাংলাদেশের এয়ারলাইন্স এর প্রাতিষ্ঠানিক নাম বিমান !যারা ইউ এস বাংলা এয়ারলাইন্সকে বিমান বলে ভুল করে বিমানের বদনাম করে বেড়াচ্ছেন,তাদেরকে বলছি আমাদের জাতীয় এয়ালাইন্স এর অফিসিয়াল নাম বিমান। বোঝা গেলো? বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেড।এটি একটি সরকারী নিয়ন্ত্রণাধীন প্রতিষ্ঠান।এটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী।
অর্থাৎ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেড একটি পাবলিক(জন গণের) লিমিটেড কোম্পানী। বিমান আপনার, আমার, আমাদের সকলের। আর ইউ এস বাংলার মালিক আর তাঁর স্ত্রী মাটির ব্যাংকে টাকা জমাতে জমাতে কয়েকটি উড়োজাহাজ কিনেছেন। সেটি গাড়ী ফ্রিজ আর টেলিভিশন কেনার মতো। একেবারেই নিজেদের। আর দুর্ঘটনা ঘটেছে ইউ এস বাংলা প্রাইভেট এয়ারলাইন্স এ। যেটি ব্যক্তিমালিকানাধীন।
আর বাংলাদেশ বিমান বাদে অন্যান্য বেসরকারী এয়ারলাইন্স এয়ারলাইন্সকে বিমান সংস্থার অন্তর্ভুক্ত করে দোষারোপ করা যাবেনা! সকল এয়ালাইন্স মানেই বিমান নয়, সকল উড়োজাহাজ শাব্দিক অর্থে আকাশযান, উড়োজাহাজ বা এয়ার ক্রাফট অথবা প্লেন। বিমান ইট ইটসেলফ ইজ এন অর্গানাইজেশন এর নাম । তাই যে কোন এয়ারলাইন্স এর উড়োজাহাজকেই বিমান বলা থেকে বিরত থাকুন। তাতে বিমান প্রতিষ্ঠানের ভাবমুর্তি নস্ট হয়! একজনকে দেখলাম নিজস্ব জ্ঞানের অভাবে বিমানের কর্মচারীদের গালাগাল দিচ্ছেন। তিনি বলছেন বিমানের কর্মচারীরা সৎ নয় বলে এমন ঘটনা ঘটেছে । হাতের কাছে ফেইসবুক পেলেন আর লিখতে শুরু করলেন তাইনা?\\\’

News Page Below Ad