ফের প্রশ্নের মুখে নারী নিরাপত্তা। এবার খোদ মন্ত্রীর বোনকে অপহরণের চেষ্টা------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------। ভরদুপুরে বরেলির রাস্তায় মুখতার আব্বাস নকভির বোনের গাড়ি ধাওয়া করল দুষ্কৃতীরা। পুলিশকে জানানোর পরও কেউ ধরা পড়েনি।
তিন তালাকের ফলে যে সমস্ত মহিলারা বিপদে পড়েন, তাদের পাশে দাঁড়ান কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বোন ফারহাত নকভি। বরেলির গড়েয়ার বাসিন্দা ফারহাত শনিবার সকালে এক নির্যাতিতাকে সঙ্গে নিয়ে পুলিশ কর্মকর্তার কাছে গিয়েছিলেন। মন্ত্রীর বোনের অভিযোগ, ফেরার সময় দুষ্কৃতীরা তার পিছু নেয়। অপহরণের চেষ্টা করে। ফারহাতের চিৎকারে দুষ্কৃতীরা আয়ুব খাঁ রোডের দিকে পালিয়ে যায়।
তবে পালানোর সময় অভিযুক্তরা দেখে নেওয়ার হুমকি দিতে থাকে। এই ঘটনা জানার পর মন্ত্রীর পরিবার আতঙ্কিত। ফারহাত দ্রুত বিষয়টি পুলিশ কমিশনারকে ফোন করে জানান। তবে গাড়িতে কতজন ছিল তা অবশ্য তিনি বুঝতে পারেননি। ফারহাত জানিয়েছেন চালকের আসনে যে বসেছিল সেই হুমকি দিচ্ছিল। ’মেরা হক’ নামে একটি ফাউন্ডেশন তৈরি করে নির্যাতিতাদের হয়ে মামলা লড়েন ফারহাত।
এই ভূমিকার জন্য এর আগে বেশ কয়েকবার হুমকির মুখে পড়েছিলেন মন্ত্রীর বোন। তিন তালাকের বিরুদ্ধে মুখ খুলে তিনি প্রচারে আসেন। ওই ফাউন্ডেশনের নামে একাশোর বেশি মামলা লড়ছে তার সংগঠন। মহিলাদের নিয়ে যে মামলাগুলি চলছে তা দ্রুত নিষ্পত্তি এবং মামলায় মহিলা বিচারকের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছিলেন ফারহাত। পাশাপাশি তিন তালাকের শিকার মহিলাদের সরকারি সাহায্য ও ভাতা দেওয়ার জন্য তিনি মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের কাছে দরবারও করেছিলেন।
উত্তরপ্রদেশে তার সক্রিয়তা কেউ কেউ ভাল চোখে নেয়নি। এই কারণে এমন ঘটনা বলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে মনে করছে। কিছু দিন আগে হরিয়ানায় আইএএস কন্যা বর্ণিকা কুণ্ডুকে অপহরণের চেষ্টার ঘটনায় তোলপাড় হয়েছিল দেশ। তার কয়েক দিনের মধ্যে এই ঘটনা বুঝিয়ে দিল দেশে মহিলাদের নিরাপত্তা রয়েছে সেই তিমিরে। ক্ষমতা আসায় পর যোগী আদিত্যনাথ মহিলাদের নিরাপত্তার ব্যাপারে অনেক কিছু বললেও কাজের কাজ যে কিছুই হয়নি তা এ ঘটনায় পরিষ্কার।