মিয়ানমার সরকার দাবি করেছে, রোহিঙ্গা মুসলিমরা তাদের দেশের আদিবাসী নয়। রোহিঙ্গা নাম প্রথম ব্যবহার করেছেন একজন বাঙালি এমপি।
সোমবার দেশটির সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এক ঘোষণায় জানিয়েছে, তারা রোহিঙ্গাদের নৃতাত্ত্বিক পরিচয় খোঁজার এক প্রকল্প হাতে নিয়েছে। ইতিহাসবিদদের বিভিন্ন লেখা ও ঐতিহাসিক নথিপত্র ঘেঁটে তাদের আসল পরিচয় বের করা হবে। আসন্ন আসিয়ান বৈঠকে তা তুলে ধরা হতে পারে।

বার্মিজ ভাষায় লেখা সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের ফেসবুক পেজে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রোহিঙ্গা নামটি প্রথম ব্যবহার করেন একজন বাঙালি এমপি। তার নাম আবদুল গফার। ১৯৪৮ সালের ২০ নভেম্বর লিখিত এক প্রতিবেদনে এ পরিভাষাটি প্রথম ব্যবহার করা হয় বলে বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের মতে, ব্রিটিশ উপনিবেশপূর্ব যুগ পর্যন্ত ইতিহাসের কোনো বইয়ে রোহিঙ্গা শব্দের উল্লেখ নেই।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা ইস্যু দীর্ঘদিনের বিতর্কিত ও সংঘাতময় অধ্যায়। এমনকি দেশটির গণতন্ত্রপন্থী নেতা অং সান সুচিও রোহিঙ্গা শব্দ উচ্চারণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। দেশটির সরকারের মতে, এরা নৃতাত্ত্বিকভাবে বাঙালি এবং বাংলাদেশ থেকে অভিবাসী হয়ে মিয়ানমারে অবস্থান করছে।

ওআইসির জরুরি বৈঠক : মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নিপীড়নের জেরে জরুরি বৈঠকের আহ্বান করেছে ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)। সংস্থাটির মহাসচিব ড. ইউসুফ এ আল ওয়াতাইমিন নিউইয়র্ক, জেনেভা ও ব্রাসেলসের স্থায়ী কার্যালয়ের ওআইসি সদস্য দেশগুলোর প্রতিনিধিকে নিয়ে জরুরি বৈঠকের নির্দেশনা দিয়েছেন। একই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের ঘটনায় মিয়ানমার সরকারের প্রতি নিন্দা জানিয়েছে ওআইসি।

স্বাধীনবাংলা২৪.কম