করোনা ভাইরাস বিস্তার রোধে দেশে বেশ কয়েকদিন ধরে সকল প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। তবে ইতিমধ্যে দেশের বন্ধ পোশাক কারখানা খোলা হয়েছে। মূলত সীমিত আকারে রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানা খোলা হয়েছে। এদিকে, পোশাক কারখানার মালিকরা বলছে তারা সকল রকম স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছেন। আর এই স্বাস্থ্যবিধি মেনেই পোশাক কারখানা খোলা রাখতে চান কারখানার মালিকরা। এদিকে, দেশে করোনা ভাইরাস দেখা দেওয়ার প্রথম থেকেই চিত্রনায়ক অনন্ত জলিল আলোচনায় ছিল। তিনি তার নিজ উদ্যোগে অনেক মানুষকে সহায়তা করেছেন।


এদিকে, ১ মে ফ্যাক্টরি খুলে রাখার অভিযোগে বিতর্কের মুখে পড়েছিলেন অনন্ত। পরে অবশ্য এর ব্যাখ্যাও দিয়েছেন তিনি।

এর মধ্যে কতোটা নিয়ম মেনে কারখানা পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে। এ বিষয়ে চিত্রনায়ক অনন্ত জলিল বলেন, ’আমরা শতভাগ কেয়ার নিয়ে কারখানা চালাচ্ছি। সারাদেশের গার্মেন্টস মালিকরা যেন দেখতে পারেন। সাংবাদিকরাও দেখতে পারেন, তারা প্রচার করতে পারেন। আমরা শতভাগ স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে কারখানা পরিচালনা করছি।’

অনন্ত জলিল বলেন, ’গার্মেন্টস মালিকদের বিরুদ্ধেই একদল মানুষ ফেসবুক- ইউটিউব ও বিভিন্ন নিউজে অযথা বাজে মন্তব্য করছে। এসব অযথা বাজে মন্তব্য করা মানুষগুলো কিন্তু এই অসহায় কর্মচারীদের একবেলা খাবারের ব্যবস্থাও করে না। এসব কথা আসলে আমি বলতে চাই না। কিছু কথা না বললেই নয়, কিছু কথা বলতে না পারলে মনে হয় যে বুক ফেটে মারা যাব। যখন ফেসবুকে আমাদের নিয়ে উল্টাপাল্টা মন্তব্য পড়ি তখন মনে হয় এরা কি বুঝে গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রি সম্বন্ধে? বাংলাদেশের অর্থনীতিতে তাদের কন্ট্রিবিউশন কি?’

অনন্ত জলিল আরও বলেন, ’আমার কোম্পানি চালাতে মাসে ১৭ কোটি টাকা লাগে এটা তো ছোটখাটো কোন ব্যাপার নয়। সব মিলিয়ে ১৩ কোটি টাকা বেতন দিতে হয়। ১ কোটি ৩৫ লাখ টাকা গ্যাস বিল দিতে হয়। বিদ্যুত বিলও আসে প্রায় কোটি টাকারও বেশি। আমি আমার শ্রমিকদের প্রাণের চেয়েও বেশি ভালোবাসি। কারণ ওদের মাধ্যমেই এতো বড় ফ্যাক্টরি চলে।’

উল্লেখ্য, এই চিত্রনায়ক ১ মে তার ফ্যাক্টরি খোলা রাখার পর থেকেই দেশে ব্যাপক আলোচনা দেখা দেয়। এরপর তিনি বিভিন্ন সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসে এই বিষয়ে কথা বলেছেন। তিনি বলেছিলেন, আমার ফ্যাক্টরির শ্রমিকরা নিজ ইচ্ছায় ওই দিন কাজ করতে এসেছে। তবে আমার ফ্যাক্টরির শ্রমিকদের ওই দিন ডবল বেতন দেওয়া হয়ছে। তিনি গণমাধ্যমের উদ্দেশ্য করে বলেন এই বিষয় নিয়ে আপনারা কেউ মিথ্যা নিউজ করবেন না।