দেশে দেশে লকডাউন করার কারণে ওই সকল দেশের প্রতিটা সেক্টরে বড় রকমের সমস্যা দেখা দিয়েছে। আর এ কারণে প্রতিটা সেক্টরে অর্থনৈতি সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এদিকে, ভারতে লকডাউনের কারণে দেশটিতে প্রতিটা প্রদিষ্ঠানে বড় রকমের ক্ষটি হচ্ছে। এমনকি এই ক্ষতির সম্মক্ষীন পড়তে পারে বলিউডের তারকা অভিনেতা-অভিনেত্রীকে। যার কারণে তাদের পারিশ্রমিক অনেক কমে যেতে পারে। এমনটাই মনে করছেন ভারতের বলিউডের অনেক কলাকুশলী।

লকডাউনের কারণে বড়সড় ক্ষতির মুখে পড়তে যাচ্ছে বলিউড ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি। আর এই ক্ষতির হিসাব মেটাতে হতে পারে ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত অনেক কলাকুশলীকেই।

বানিজ্য বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, ধাক্কা সামলাতে পারিশ্রমিকে কাটছাঁট হতে পারে বলিউডের শাহরুখ, সালমান, অক্ষয়, দীপিকা, আলিয়াদের মতো তারকাদেরও।

বানিজ্য বিশ্লেষক কমল নাথের বরাত দিয়ে সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, লকডাউন তুলে নেয়ার পর সিনমা হল গুলি খোলাও হলেও আগের মতো টিকিট বিক্রি হবে না। সামাজিক দূরত্বের কথা মাথায় রেখে সিনেমা হল খুললেও ৫০ শতাংশ টিকিটই বিক্রি করা সম্ভব হবে। কারণ, সেক্ষেত্রে দুই দর্শকের মাঝে সিটটি ফাঁকা রাখতে হবে। এক্ষত্রে বড়সড় ক্ষতির মুখে পড়তে হবে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিকে।

কমল নাথের ধারণা, করোনার সংক্রমণ রোধে লকডাউনের কারণে ভারতীয় ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি ২৫০০ কোটি টাকার ক্ষতির মুখে পড়তে যাচ্ছে।

এদিকে ই-টাইমসের এক প্রতিবেদনে তরুণ আদর্শ, কমল নাথদের মতো বানিজ্যিক বিশ্লেষকদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি সামাল দিতে হয়তো শাহরুখ, সালমান, আমির, অক্ষয়, রণবীর, বরুণ, দীপিকা, আলিয়াদের মতো সুপারস্টার তারকাদের পারিশ্রমিকে কাটছাঁট হতে পারে। কারণ পরিস্থিতির চাপে সিনেমার বাজেটে কাটছাঁট হলে তারকাদের পারিশ্রমিকেও কাটছাঁট হওয়া অবশ্যম্ভাবী।

জানা যায়, বলিউডের হায়েস্ট পেইড অ্যাক্টরদের মধ্যে শাহরুখ, সালমান, আমির, অক্ষয়রা প্রতি ফিল্ম পিছু ৪০-৬০ কোটি টাকার মতো পারিশ্রমিক নেন। রণবীর সিং, বরুণ ধাওয়ানরা প্রায় ২৫ থেকে ৩০ কোটি টাকা পারিশ্রমিক নেন। অন্যদিকে দীপিকা, আলিয়ারা নেন ৫-১৩ কোটি টাকার মতো পারিশ্রমিক।

এদিকে, ভারতে দীর্ঘদিন ধরে লকডাউন রয়েছে। আর এ কারণে দেশটিতে অনেক মানুষ বেকার হয়ে পড়েছে। তবে দেশটির কিছু কিছু স্থানে লকডাউন শিথিল করা হয়েছে। আর এই লকডাউন শিথিল করার কারণে দেশটিতে করোনা ভাইরাসে সংক্রমন বেড়ে চলেছে। তবে মানুষকে দূরত্ব বজায় রেখে চলাচল করতে বলা হয়েছে।