হঠাৎ করে লন্ডনের পরিস্থিতি পাল্টে যাচ্ছে এখানে বসবাসরত মানুষেরা অন্য স্থানে যাওয়ার জন্য বেরিয়ে পড়ছে। তবে তারা মানুষরা কেন হঠাৎ করে এলাকা ছাড়ছেন তা নিয়ে ব্যাপক হইচই পড়ে গেছে। তবে এবার জানা গেল এর কারণ। এদিকে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আবারও করোনা পরিস্থিতি খারাপ হতে শুরু করেছে। আর এই করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধ করার জন্য ইতিমধ্যে বিশ্বের কয়েকটি দেশে ফের লকডাউন করা হয়েছে। তবে বিশেষঙ্গরা মনে করছেন আগামীতে করোনা ভাইরসের পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে।

হাজার হাজার মানুষ লন্ডন ছেড়ে লকডাউনে সুবিধাজনক স্থানে চলে যাচ্ছেন। সড়কগুলোতে গাড়ির দীর্ঘ সারি। ঠিক দিন কয়েক আগে প্যারিসে লকডাউনের পূর্বে দেখা গিয়েছিল একই দৃশ্য। সান
লকডাউন শুরু হবার শেষ মুহুর্তে পাবগুলোতে ছিল বেজায় ভীড়। আকণ্ঠ পানে তরুণ-তরুণীরা মনের আপশোস কিছুটা হলেও মিটিয়ে নিয়েছেন। তাই হৈ হুল্লোড়ের কমতি ছিল না পানশালাগুলোতে
অক্সফোর্ড স্ট্রিটে গাড়ির ভীড়ে থমকে দাঁড়ায় দমবন্ধ সময়। পশ্চিম লন্ডনে বুধবার সন্ধ্যায় ছিল একই অবস্থা। মধ্য লন্ডনের রিজেন্ট স্ট্রিটে গাড়িতেই বেশ কয়েক ঘন্টা বসে থাকতে হয় মানুষকে।
স্যাটন্যাভ এ্যাপ বলছে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে লন্ডনের রাস্তাগুলোতে গাড়ির পরিমান বৃদ্ধি পেয়েছিল ৩৪ শতাংশ। পিক সময়ে লন্ডনে যানজটের সংখ্যা দাঁড়ায় ২ হাজার ৬২৪টি। শুধু নর্থ সার্কুলার রোডে যানজট ছিল ৮ মাইল লম্বা। স্বাভাবিকের সময়ে ওই রাস্তা পাড় হতে অতিরিক্ত এক ঘন্টা ১৫ মিনিট লাগে বলে জানায় ইনরিক্স ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।
কমবেশে ব্রিটিশ নাগরিকদের গন্তব্য ছিল গ্রামের বাড়ি। ব্রিটেনে দ্বিতীয় এ লকডাউন শেষ হবে আগামী দোসরা ডিসেম্বর। পরিবারের সময়ে ক্রিসমাসের ছুটি কাটাতে তাই এমন কষ্টকর গন্তব্যে পাড়ি দেয়া।


এদিকে, সামনের শীত মৌসুমে করোনা পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে মনে করছেন অনেকে। আর এই পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি দেশ নানা রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। আর অনেক দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ঠিক রাখার জন্য আবারও হাসপাতাল গুলোকে সব দিক থেকে ঠিক রাখা হচ্ছে। কিন্তু অনেকে লকডাউনের সমস্যা থেকে নিজেদের রক্ষার জন্য অন্য স্থানে চলে যাচ্ছেন। তেমনি বর্তমানে অনেকে লন্ডন ছাড়ছে অন্য স্থানে যাচ্ছেন।