চীনে প্রথম করোনা ভাইরাস দেখা দেওয়ার পর থেকে দেশটিতে রোগীদের নানা রকম চিকিৎসা দেওয়া হয়। আর ইতিমধ্যে দেশটিতে করোনা ভাইরাস থেকে অনেক মানুষ সুস্থ হয়ে উঠেছে। তবে দেশটিতে অনেক মানুষ সনাতন ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা নিয়েছে। আর এই পদ্ধতিতে চিকিৎসা সেবা নিয়ে দেশটিতে অনেক মানুষ সুস্থ হয়েছে বলছে দেশটি। এমনকি দেশটিতে সনাতন ওষুধ এর জনপ্রিয়তা অনেক আগে থেকেই রয়েছে।

বিজ্ঞানীরা যখন কোভিড-১৯ রোগের টিকা উদ্ভাবনের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন, চীন তখন জোর দিচ্ছে এর চিকিৎসায় সনাতন ওষুধ ব্যবহারের ওপর। এই চিকিৎসা ট্র্যাডিশনাল চায়নিজ মেডিসিন বা টিসিএম হিসেবে পরিচিত।

চীন সরকারের সরকারি কাগজপত্রে দেখা যাচ্ছে, দেশটিতে যতো মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে তাদের ৯২ শতাংশ কোনো না কোনোভাবে এই চিকিৎসা নিয়েছেন। খবর বিবিসির।

বিশ্বের প্রাচীনতম এক চিকিৎসা এই টিসিএম যাতে ভেষজ ও আকুপাংচার থেকে শুরু করে তাই চি পদ্ধতিও ব্যবহার করা হয়। চীনে এই চিকিৎসা প্রচণ্ড জনপ্রিয়। তারপরেও প্রায়শ এটি নিয়ে বিতর্ক হতে দেখা যায়।

করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় বেইজিং টিসিএমকে দেশে বিদেশে জনপ্রিয় করে তোলার চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এর কার্যকারিতা নিয়ে খুব একটা নিশ্চিত নন।

চীন সরকার সে দেশের প্রচলিত ওষুধকে কোভিড-১৯ এর চিকিৎসা হিসাবে প্রচুর পরিমাণে প্রচার করছে। চীন এগুলোকে স্বাস্থ্য-যত্ন ব্যবস্থার একটি বড় অংশের প্রতিক হিসেবে মনে করে। এমনকি আন্তর্জাতিক সহায়তা হিসাবে ইরান এবং ইতালি সহ বিভিন্ন দেশে প্রেরণ করা হচ্ছে। আর এই সকল সনাতন ওষুধ চীনে অনেক আগে থেকেই ব্যবহার করে আসছে।